Thursday , 29 July 2021
সংবাদ শিরোনাম
সেনবাগে রাতের অন্ধকারে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের হামলায় যুবলীগ কর্মী সহ আহত ৫জন

সেনবাগে রাতের অন্ধকারে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের হামলায় যুবলীগ কর্মী সহ আহত ৫জন

July 12, 2021 তে 9:51 am

সেনবাগ প্রতিনিধি
দোকান থেকে বাড়ী ফেরা পথে রাতের অন্ধকারে পূর্ব শত্রæতার জের দপায় দপায় হামলা পাল্টা হামলায় যুবলীগ কর্মী মোঃ মিনহাজ উদ্দিন হৃদয় সহ ৫জন আহত হয়েছে।

ঘটনাটি  শুক্রবার নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়নের জয়নগর ও মজুমদার হাটে ঘটে।

এঘটনায় যুবলীগ কর্মীও পিতা মাঈন উদ্দিন বাদী হয়ে ১৭ জনকে আসামী করে সেনবাগ থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন।

এজাহার ও স্থানিয় সুত্রে জানাগেছে, উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়নের পূর্বকাজির খিল গ্রামের সৈয়দ বাড়ীর মো মাঈন উদ্দিন ছেলে যুবলীগ কর্মী মোঃ মিনহাজ উদ্দিন হৃদয় পেশায় একজন টাইলস মেস্ত্রী। সেই সুবাদে একই এলাকার মিরাজ মিয়ার ছেলে ফাহাদ হোসেন লকডাউনে কর্মহীন। তখন হৃদয় কে একটা কাজে লাগিয়ে দেয়ার জন্য বলে ফাহাদ। সে তাদের পাশবর্তি রহিম কোম্পানী বাড়ীর একটা পরিবারের কাজে লাগিয়ে দেয়। সেই পরিবার তার কাজের যে মুজুরী দেয়ার কথা তারা সেই টাকা তাকে প্রদান করে। কিন্তু ফাহাদের দাবী আরো বেশী।

শনিবার বিকেলে যুবলীগ কর্মী হৃদয় বাড়ী থেকে বের হয়ে স্থানিয় জয়নগর উচ্চ বিদ্যালয় সামনে আসা মাত্রই ফাহাদের বড় ভাই রিপাত তার ভায়ের দাবীকৃত টাকার জন্য হৃদয় কে সার্জ করে অশালিন ভাষায় কথা বলে। এসময় হৃদয় ও রিপাতের মধ্যে কথা কাটাকাটি মধ্যে হৃদয় উত্তেজিত হয়ে রিপাত কে শাররিক ভাবে লাঞ্চিত করে। এর পর রিপাত তার মত করে হৃদয় স্থানিয় মজুমদার হাটে চলে যায়।

এ সংবাদ এলাকায় পৌছলে এলাকার সিনিয়র বড় ভাই সৌরভ ও রতন তারা বিষয়টি সময় করে বসে মিমাংশা করে দিবে বলে আর রিপাতকে স্থানিয় ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে বলেন। রাত ১০টি দিকে যুবলীগ কর্মী মোঃ মিনহাজ উদ্দিন হৃদয় বাজার থেকে বাড়ী যাওয়ার পথে মজুমদার হাটের দক্ষিন পাশে আবু তাহের দোকনের পাশে যাওয়া মাত্রই রিপাত, রকি, নাঈম, ও ছানা উল্ল্যা নেতৃত্বে এরি মধ্যে ২০ থেকে ৩০ বহিরাগত সন্ত্রাসী দা, ছেনি, কিরিজ, ষ্টাম্প দিয়ে এলোপাতাড়ি অর্তরকিত হামলা শুরু করে। হৃদয়ের চিৎকার শুনে দোকানদার আবু তাহের তার ভাতিজা রিয়াদ, হৃদয় ও পালাশ এগিয়ে সন্ত্রাসীদের কবল হৃদয় কে উদ্ধার চেষ্টা করলে তাদের হামলায় তারাও আহত হয়। তবুও তার জীবন বাজি রেখে রক্তাত্ত মমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে।

এরি মধ্যে এই সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে চতুর পাশ থেকে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক আবু সাফিন সহ লোকজন এগিয়ে এসে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। সাফিন,ইমরান,পলাশ হৃদয় কে উদ্ধার মমূর্ষ অবস্থায় সেনবাগ সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত নাঈম ও তার পিতা স্থানিয় ইউপি সদস্য সিদ্দিক উল্ল্যাহ জানান তার পরিবারের কোন সদস্য এই ঘটনায় জড়িত নয়। তারা কেউ ঘটনার সময় উপস্থিত ছিল না। এই ঘটনায় তাদের পরিবারের সদস্যদের জড়ানো হলো প্রতিহিংসা।

এঘটনায় যুবলীগ কর্মীর পিতা মাঈন উদ্দিন বাদী হয়ে ৯জন কে নামিয় অজ্ঞাত ৮জন সহ ১৭ জনকে আসামী করে সেনবাগ থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন।

ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় যে কোন সময় যে কোন ঘটনা ঘটে যেতে পারে এমন আশংখ্যা প্রকাশ করেছে স্থানিয় লোকজন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ মো আবদুল বাতেন মৃধা এঘটনায় মামলা হবে বলে তিনি জানান ।

Share Button

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top