Thursday , 29 July 2021
সংবাদ শিরোনাম
সেনবাগে কোরবানির জন্য প্রস্তুত হচ্ছে ৯ হাজার গবাদি পশু

সেনবাগে কোরবানির জন্য প্রস্তুত হচ্ছে ৯ হাজার গবাদি পশু

July 11, 2021 তে 6:12 pm

জাহাঙ্গীর পাটোয়ারী
চলতি বছর নোয়াখালীর সেনবাগে কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ১০ হাজার ৫শত। অপরদিকে লালন পালন করা হচ্ছে ৮ হাজার ৯শত ৪টি গবাদি পশু। উপজেলায় ঘাটতি রয়েছে ১হাজার ৫শত ৮৬টি।

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সেনবাগে কোরবানির পশুর চাহিদা মিটাতে অন্য উপজেলা থেকে পশু সরবরাহ করতে হবে। ভারতীয় গরু আমদানি বন্ধ থাকলে অন্য জেলা উপজেলা থেকে পশু না আনা হলে এবার খামারিরা আশানুরূপ দাম পাবেন বলে আশা রাখছেন।

পশুর চাহিদা সাথে যোগান থাকায় এবার ঈদ বাজার খামারি ও ক্রেতা উভয়ের অনুকূলে থাকবে বলে ধারণা করছেন উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা।

তিনি জানান, সরকারি নির্দেশ মোতাবেক ভারত থেকে বৈধ বা অবৈধ উপায়ে গরু আমদানি বন্ধ রয়েছে। এতে দেশীয় খামারিরা লাভবান হবেন।

উপজেলার সব চেয়ে বড় খামার ছাতারপাইয়া নুরবানী এগ্রো ফার্মে কোরবানির জন্য ৬০টি পশু লালন করছেন খামারি মো সাকিল। তার নতুন খামারে প্রথম বার কোরবানির জন্য ৮ মাস ধরে গরু লালন পালন করছেন তিনি। সাকিল জানান, বর্তমানে গরু লালন পালনে যে খরচ হচ্ছে, ঈদ বাজারে ভারতীয় গরু প্রবেশ করলে স্থানীয় খামারিরা বিপাকে পড়বে। যদি বাজারে বাইরে থেকে গরু না আসে তাহলে লাভের মুখ দেখবে স্থানীয়রা।

উপজেলা উপ-সহকারী প্রাণি সম্পদ সম্প্রসারন কর্মকর্তা ডা. মো শফিকুল ইসলাম জানান, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে প্রায় ১০ হাজার ৪ শত ৯০ কোরবানির পশুর চাহিদার বিপরীতে ৮ হাজার ৯০৪টি গবাদি পশু প্রস্তুত করা হচ্ছে। ফলে এবার কোরবানির পশু সংকট হবার কোনো সম্ভাবনা নেই। এছাড়াও ব্যক্তিগত ভাবে অনেকে এক বা একাধিক কোরবানি পশু লালন পালন করছেন। মৌসুমী গরু ব্যবসায়ী ও স্থানিয় ব্যক্তিগত পশু দিয়ে ঘাটতি পুরন হয়ে যাবে।

কোরবানির হাটের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম মজুমদার জানান, এখন পর্যন্ত কোরবানির গরু হাট বসার কোন অনুমতি নেই।

Share Button

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top