Thursday , 29 July 2021
সংবাদ শিরোনাম
সেনবাগের ডমুরুয়া ইউনিয়নের তহশিলদারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, টাকা ফেরত দেয়ার নির্দেশ

সেনবাগের ডমুরুয়া ইউনিয়নের তহশিলদারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, টাকা ফেরত দেয়ার নির্দেশ

June 22, 2021 তে 12:17 pm
সেনবাগ প্রতিনিধি
নোয়াখালীর সেনবাগে অনিয়ম, ঘুষ, দুর্নীতি, হয়রানি, সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ভুক্তভোগীরা উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) মোহাম্মদ মজিবুল হক বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে এলাবাসী।
সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
বিকেলে উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহম্মদ চৌধুরী ও নিবার্হী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম মজুমদার ভুমিহীনদের ঘর পরির্দশন শেষে আসার পথে ডমুরুয়া ইউনিয়ন সহকারী ভূমি অফিসের সামনে অর্ধশত ভুক্তভোগী এলাকাবাসী সংঘবদ্ধ দেখে গাড়ী থেকে নেমে ভূমি অফিসে বসে অভিযুক্তের সামনে ভুক্তভোগীদের বক্তব্য শুনে প্রয়োজনিও ব্যবস্থার আশ্বাস দেন।
জানাগেছে, মোহাম্মদ মজিবুল হক ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করার পর থেকেই নানা অনিয়ম দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠে। সেবা প্রার্থীরা অনেকটা বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয় বলে জানান একাধিক সেবা গ্রহীতা।
লিখিত অভিযোগ কারী ডমুরুয়া ইউনিয়নের জিরুয়া গ্রাম গ্রামের ইলিয়াছ অভিযোগ করেন, জমির খাজনা বাবদ তার কাছ থেকে নগদ ১৯ হাজার টাকা নিয়ে ২হাজার ৯শত ৭৮ টাকার একটি রশিদ হাতে ধরিয়ে দেন তহশিলদার মোহাম্মদ মজিবুল হক।
একই এলাকার সাতবাড়ীয়া গ্রামের নজির আহম্মেদের ছেলে রিয়াদ হোসেন বলেন, জমির খাজনা বাবদ ৫শত টাকা নিলেও রশিদ দেন ২৬ টাকার।
এদের মতো একই অভিযোগ ওই ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা বেশির ভাগ মানুষের। নাম খারিজের বেলায় সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি ১ হাজার ১৫০ টাকা হলেও অতিরিক্ত হিসেবে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেন ওই তহশিলদার। দাবিকৃত ঘুষের অর্থ দিতে অস্বীকার করলে নানা টালবাহানা করে জমির মালিকদের হয়রানি করেন।
এ বিষয়ে ডমুরুয়া ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) মোহাম্মদ মজিবুল হক জানান, তাকে ফাঁসানোর জন্য তার বিরুদ্ধে কতিপয় লোকজন ষড়যন্ত্র করছে।
সেনবাগ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ক্ষমালিকা চাকমা বলেন, বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছেন কেউ তার কাছে লিখিত কোন দেয় নি। তিনি বিষয়টি উর্ধ্বতক কর্তপক্ষকে অবহিত করেছেন।
সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন,বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনিও ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাফর আহম্মদ চৌধুরী জানান, তহশিলদার যাদের থেকে সরকারী ফ্রির অতিরিক্ত টাকা নিয়েছেন তাদের টাকা ফেরত দেয়া ও তার বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তপক্ষের আছে আমরা লিখিত ভাবে জানাবো।
Share Button

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Scroll To Top